Advertisement

বুধবার, ২০ জুলাই, ২০১৬

আজ ২০ জুলাই। শিরোনামে একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করলেও আসলে এই দিনে মহাকাশের ইতিহাসে দুটি যুগান্তকারী ঘটনা ঘটেছিল। একটিতো সবার জানা। এই দিনেই নিল আর্মস্ট্রং সবার আগে চাঁদের বুকে পা ফেলেন। সালটি ছিল ১৯৬৯। এ সময় তিনি আবেগে বলেছিলেন,
একজন মানুষ হিসেবে চিন্তা করলে আমিতো মাত্র এক কদম এগিয়েছি, কিন্তু পুরো মানব্জাতির কথা চিন্তা করলে এই এক কদম এক বিশাল লাফের সমান।  
মানবজাতির এই বিশাল লাফের আজকে ৪৭তম বার্ষিকী।
আর্মস্ট্রং এর পরেই চাঁদে নামেন বাজ অলড্রিন। দুজনে মিলে ২১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় চাঁদে কাটান। পৃথিবীতে নিয়ে আসেন চাঁদের সাড়ে ২১ কেজি পাথর।
অ্যাপোলো-১১ যানে করে আর্মস্ট্রং, অলড্রিন ও মাইকেল কলিন্স ১৬ জুলাই তারিখে চাঁদের দিকে যাত্রা করেন। 
অ্যাপোলো-১১ এর যাত্রা শুরু হয় স্যাটার্ন ভি রকেটের মাধ্যমে। এই রকেটের দৈর্ঘ্য ছিল ৩৬ তলা বিল্ডিং এর সমান। 
চাঁদের দিকে যাবার পথে অ্যাপোলো-১১ থেকে তোলা পৃথিবীর ছবি
এই হচ্ছে অ্যাপোলো-১১ লুনার মডিউলের ছবি। ঈগল নামের এই যানটিই অলড্রিন ও আর্মস্ট্রংকে চাঁদের বুকে নামিয়ে দেয়। কলিন্স পেছনে থেকে চাঁদকে প্রদক্ষিণ করতে থাকেন। 
চাঁদের বুকে প্রথম হাঁটার পরে নিল আর্মস্ট্রং। 


আরেকটি ঘটনাঃ মঙ্গলে প্রথম কোনো মহাকাশযানের অবতরণ।
এই অর্জনটি হয় ১৯৭৬ সালে। কাজটি সম্পন্ন করে ভাইকিং ওয়ান ল্যান্ডার। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আমরা পেয়ে যাই মঙ্গলের প্রথম রঙিন ছবি। 
লাল গ্রহ মঙ্গলের প্রথম রঙিন ছবি
একে পাঠানো হয়েছিল ১৯৭৫ সালের আগস্টের ২০ তারিখে। প্রায় এক বছর পর এটি মঙ্গলে পৌঁছে। এর এক মাস পরেই পৌঁছে যায় আরেকটি যান ভাইকিং টু। 
Category: articles

বুধবার, ২২ জুন, ২০১৬

ছোট বেলায় বইয়ে পড়তাম, চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, চাঁদ সূর্য থেকে আলো পায়। শুনে ভাবতাম চাঁদের মধ্যে একটি স্টোর রুম আছে যেখানে চাঁদ দিনের বেলায় সূর্যের আলো জমা করে রাখে। আর রাতে সেই আলো দিয়ে চাঁদ পৃথিবীকে আলোকিত করে।
ছোট্ট বেলার সেই অবুঝ জ্ঞানের প্রথম অংশ ঠিক ছিল, কিন্তু নিজের ভাবনা ছিল ভুল। তবে বইয়ের ভাষাকেও একটু দোষারোপ করতেই হয়। চাঁদ সূর্য থেকে আলো পায়- এভাবে বলার দরকার কী? এটা শুনলেই একটু একটু মনে হয়, হ্যাঁ, আলো জমা করে রাখা হয়।
সূর্যের আলোর মাধ্যমে পৃথিবী ও চাঁদ দুজনেই একে অপরকে আলোকিত করে

মূল কথায় আসি। বইয়ে আসলে বলা উচিৎ ছিল, চাঁদের নিজের কোনো আলো নেই, চাঁদ সূর্যের আলো প্রতিফিলত করে পৃথিবীকে আলোকিত করে।  অর্থ্যাৎ, চাঁদ আসলে বিশাল বড় এক দর্পণ। অবশ্যই সাইজেই বড়ো, দর্পণ হিসেবে চাঁদের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। এর পৃষ্ঠ খুব এবড়োথেবড়ো এবং ধূসর কালো।
চাঁদের পৃষ্ঠের এবড়োথেবড়ো ছবি

চাঁদ সূর্যের মাত্র ১২ ভাগ আলো প্রতিফলিত করতে পারে। তাছাড়া চাঁদ যেটুকু আলো প্রতিফলিত করে তার সবটুকু আমরা পাই না। এটা নির্ভর করে চাঁদ এর কক্ষপথের কোন জায়গায় আছে তার উপর।
পৃথিবী ঘুরছে সুর্যের চারদিকে, আর চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে
চাঁদের প্রথম ও শেষ চতুর্থকের সময় এর অর্ধেক অংশ আলোকিত হয়, কিন্তু এ সময়ের চাঁদ উজ্জ্বলতায় পূর্ণিমার চাঁদের মাত্র ৮ ভাগ। দুই চতুর্থকের সময় পৃথিবী থেকে চাঁদের দৃশ্যমান অংশের অর্ধেক দেখা যায়। এ সময় চাঁদ যথাক্রমে মধ্য রাতে উদিত হয় বা অস্ত যায়।
টেলিস্কোপে চাঁদের দৃশ্য
প্রতি মাসের বিভিন্ন সময় চাঁদকে বিভিন্ন নক্ষত্রের আশেপাশে দেখা যায়। যেমন চিত্রা, আলডেবারান ইত্যাদি।
আরো পড়ুনঃ
উজ্জ্বল তারাদের গল্প
চাঁদ নিয়ে লেখা সব নিবন্ধঃ এখানে
সূত্রঃ
১। http://www.universetoday.com/75891/why-does-the-moon-shine/
Category: articles

শনিবার, ১৪ মে, ২০১৬

ইদানিং সন্ধ্যার পরেই মাথার উপর হাজির হয় বৃহস্পতি গ্রহ। আজকে তার সাথে যোগ দিচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।
চাঁদ ও বৃহস্পতি
অন্য দিকে, সন্ধ্যার কয়েক ঘণ্টা পরে আরো দুটি গ্রহ- মঙ্গল ও শনিকেও পূব দিক থেকে উঠতে দেখা যাবে। এরা থাকবে বৃশ্চিকের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র জ্যোষ্ঠার কাছাকাছি।  
Category: articles

রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৬

সৌরজগতের গ্রহদের মধ্যে একমাত্র শুক্র ও বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

সৌরজগতে সব মিলিয়ে ১৮১টি উপগ্রহ রয়েছে। এতে অবশ্য বামন গ্রহদের উপগ্রহদেরকে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১৯টি উপগ্রহ দেখতে গোলাকার। এর ফলে এরা যদি অন্য কোন গ্রহ বা বামন গ্রহের উপগ্রহ না হত, তবে সরাসরি গ্রহের খেতাব পেয়ে যেত। কিন্তু সৌরজগতের এত উপগ্রহ থাকতেও বুধ ও শুক্র গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই।

অন্য দিকে, পৃথিবীর একটিমাত্র উপগ্রহ আছে- চাঁদ। মঙ্গলের আছে ডেমোস ও ফোবোস নামে দুটি উপগ্রহ। বৃহস্পতির উপগ্রহ সবচেয়ে বেশি-  অন্তত ৬৭টি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আয়ো , ইউরোপা, গ্যানিমিড ও ক্যালিস্টো। শনিও পিছিয়ে নেই। এর দখলে আছে ৬২ খানা চাঁদ (উপগ্রহকে অনেক সময় চাঁদও বলা হয়)। ইউরেনাস ও নেপচুনের যথাক্রমে ২৭ ও ১৪টি করে চাঁদ আছে।
প্লুটো এখন আর গ্রহ নয়, কিন্তু তারও উপগ্রহ আছে। তাও একটি দুটি নয়, পাঁচ-পাঁচটি। বামন গ্রহদের মধ্যে সেরেস ও মাকিমাকির কোন চাঁদ নেই। কিন্তু প্লুটো ছাড়াও অপর দুই বামন গ্রহ হোমিয়া ও ইরিসের যথাক্রমে ২টি ও ১টি করে চাঁদ আছে।
কিন্তু বুধ ও শুক্রের কোন উপগ্রহ বা চাঁদ নেই কেন?
এর প্রধান সম্ভাব্য কারণ হচ্ছে, এরা সূর্যের খুব নিকটে অবস্থান করছে। গ্রহদ্বয় থেকে বেশ দূরে অবস্থানকারী কোন উপগ্রহ স্থিতিশীল কক্ষপথের মালিক হতে ব্যর্থ হয়। এর ফলে এটি গ্রহের আকর্ষণে থাকার পরিবর্তে সূর্যের টানে সাড়া দেয়। আর যদি গ্রহের খুব কাছে থাকে, তাহলে আবার গ্রহের শক্তিশালী আকর্ষণে গ্রহের সাথে একীভূত হয়ে যায়। এই গ্রহদের চারপাশের যে অঞ্চলে উপগ্রহদের জন্যে নিরাপদ কক্ষপথ হতে পারত সম্ভবত সে অঞ্চলটি খুব সংকীর্ণ যার ফলে কেউ তা হাসিল করতে পারেনি।
আরেকটি ব্যাখা এ রকম। সৌরজগতের অধিকাংশ উপগ্রহই তৈরি হয়েছে গ্রহদের দ্বারা বিভিন্ন গ্রহাণু ও বড় পাথরখণ্ড দখলের কারণে। কিন্তু বুধ সূর্যের খুব নিকটে থাকার কারণে কোন গ্রহাণু বা ধূমকেতু যখন এর কাছাকাছি আসে তখন এটি সূর্যের কবলে পড়ে যায়। এরা তখন হয় সূর্যে গিয়ে পতিত হয় অথবা ধূমকেতুতে পরিণত হয়। ধূমকেতুর কক্ষপথ ছিনতাই করে উপগ্রহ বানাবার মত শক্তি বুধের নেই বলেই এর কোন উপগ্রহ নেই।

সূত্রঃ
[১] উপগ্রহের তালিকা
[২] অ্যাস্ট্রোনমি ক্যাফে
[৩] টেক্সাস আরলিংটন ইউনিভার্সিটি
Category: articles

মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

আমরা জানি, চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু চাঁদকি নিজের অক্ষের সাপেক্ষেও ঘোরে? সাধারণত মনে হতে পারে, উত্তর নেতিবাচক কারণ আমরা জানি, চাঁদের একটি পৃষ্ঠই সব সময় পৃথিবীর দিকে মুখ করে থাকে।

দেখে নিনঃ আবর্তন ও প্রদক্ষিণের পার্থক্য
আসলে, চাঁদ যদি আবর্তন না করত, তবেই আমরা একেক সময় একেক অংশ দেখতে পেতাম যখন এটি কক্ষপথের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে থাকত।
ঘটানাটি প্র্যাকটিক্যালি বুঝতে হলে একজন বন্ধুকে সামনে দাঁড় করিয়ে রাখুন। বন্ধু কাছে না থাকলে একটু বস্তুকে বন্ধুর জায়গায় কল্পনা করুন। মনে করুন, ও হচ্ছে পৃথিবী। এবার আপনি নিজেকে চাঁদ ধরে নিয়ে তার চারপাশে ঘুরে আসুন। খেয়াল রাখতে ঘুরে আসার সময় আপনারা সব সময় মুখোমুখি থাকবেন। ঘোরা শেষ হলে কী দেখা গেল? একেক সময় আপনি রুমের একেক অংশ দেখলেন। এ থেকে প্রমাণিত হয়, আপনি আবর্তন করেছেন মানে নিজের অক্ষের সাপেক্ষে ঘুরেছেন।
এবার আবার ঘুরেন। এবারে ঘুরে আসার সময় দেয়ালের একটি নির্দিষ্ট অংশের দিকে তাকিয়ে থাকুন। এর অর্থ হচ্ছে এবার শুধু প্রদক্ষিণই করবেন, আবর্তন নয়। খেয়াল করুন, এ ক্ষেত্রে বন্ধু আপনার পেছনের, সামনের, পাশ্বের- সব অংশ দেখতে পাবে।
তবে, মজার ব্যাপার হচ্ছে চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে যত সময় নেয়, ততক্ষণেই একবার আবর্তন সম্পন্ন করে। এ কারণেই আসলে আমরা সব সময় এর একই পৃষ্ঠ দেখি। অবশ্য আরো কিছু কারণে সব মিলিয়ে আমরা বিভিন্ন সময়ে চাঁদের প্রায় ৫৯% পর্যন্ত অংশ দেখতে পাই। তবে, এক সাথে অবশ্যই ৫০% এর বেশি দেখি না।

সূত্রঃ
১। কর্নেল ইউনিভার্সিটি
২। Earth Sky
Category: articles

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০১৫


২০১৫ সালের জুলাই মাস দুটি পূর্ণিমা (full moon) পাচ্ছে। এই ঘটনা কিন্তু অহরহ ঘটে না। অধিকাংশ ইংরেজি মাসই একটিই মাত্র পূর্ণিমা পায়। সত্যি বলতে, প্রতি দুইকি তিন বছরের মধ্যে একবার এই ঘটনা ঘটে। আর এই ক্ষেত্রে  ২য় পূর্ণিমাটিকে বলা হয় ব্লু মুন (Blue Moon)।
এই মাসের প্রথম পূর্ণিমাটি ঘটতে যাচ্ছে ২ তারিখ। বাংলাদেশ সময় ৮টা বেজে ২০ মিনিটে।
এই মাসে আরেকটি পূর্ণিমা হবে জুলাইয়ের ৩১ তারিখে। তার মানে সেটিই হচ্ছে ব্লু মুন, অন্তত নামের দিক দিয়ে, সে দেখতে যেমনই হোক না কেন।

একই মাসে আবার দুটি পূর্ণিমা পেতে অপেক্ষা করতে হবে ২০১৮ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। ঐ বছর ফেব্রুয়ারিতে কোন পূর্ণিমাই হবে না। মার্চেই আবার হবে দুটো।

কারণ, ফেব্রুয়ারি বাদ দিলে অন্য সব মাসই ৩০ বা ৩১ দিনের। আর দুটি পূর্ণ চন্দ্র তথা পূর্ণিমার মাঝখানে ব্যাবধান থাকে ২৯.৩ দিন থেকে ২৯.৮ দিনের। ফলে, কোন মাসের একটি পূর্ণিমা যদি মাসের একেবারে শুরুতেই ঘটে যায়, তাহলেই ব্লু মুন পাবার সম্ভাবনা তৈরি হয়ে যায়।

ফলে, ফেব্রুয়ারিই একমাত্র মাস যাতে কোনোভাবেই দুটি পুর্ণিমার সুযোগ তৈরি হবে না। আবার, এটাই একমাত্র মাস যাতে অনেক সময় একটি পূর্ণিমাও নাও হতে পারে। যেমন দেখুন ২০১৮ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে একটিও পূর্ণ চন্দ্র নেই। একই ঘটনা ঘটবে আবার ২০৩৭ সালে। তার অর্থ ঐ দুটি বছর দুটি করে ব্লু মুন পাওয়া যাবে। মানে একই বছরে এমন দুটি মাস পাওয়া যাবে যাতে দুটি করে পূর্ণিমা সংঘটিত হবে।
জানতে চান পূর্ণিমা কিভাবে ঘটে?
সূত্রঃ Earth Sky
Category: articles

মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০১৫

 রাতের আকাশে যখন পৃথিবী থেকে দেখতে চাঁদের পুরোটাকে আলোকিত মনে হয় তাকেই আমরা বলি পূর্ণিমা, পূর্ণ চন্দ্র বা ফুল মুন (full moon)। কিন্তু কিভাবে ঘটে পূর্ণিমা?

পৃথিবীর আবর্তনের জন্যে চন্দ্র, সূর্য ও রাতের নক্ষত্রদের পূর্ব থেকে পশ্চিমে যেতে দেখা যায়। চাঁদের ক্ষেত্রে আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে এটি আবার পৃথিবীকে কেন্দ্র করেও ঘুরছে। ফলে অন্য গ্রহ নক্ষত্রদের চেয়ে প্রতি দিনের রাতের এর অবস্থান পরিবর্তন হয় তুলনামূলক অনেক বেশি। 
পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে করতে একটা সময় চন্দ্র, পৃথিবী ও সূর্যের সাথে একই রেখায় আসে। আর এই কল্পিত রেখার মাঝখানে যখন পৃথিবী থাকে, তখনই পশ্চিম দিক থেকে আসা সূর্যের আলো সোজাভাবে পূর্ব দিকে থাকা চাঁদের উপর গিয়ে পড়ে। ফলে, পৃথিবী থেকে দেখতে চাঁদের পুরোভাগ আলোকিত হয়ে থালার মতো দেখা যায়।
এ সময় চাঁদ দিগন্তের খানিকটা মাত্র উপরে থাকে। সূর্য যখন দিগন্ত থেকে আরো বেশি নিচে নেমে যায়, তখন পূর্ব দিকে চাঁদও দিগন্তের আরো  উপরে উঠে আসে। এভাবে সারা রাত চলে ভোরের যখন সূর্যোদয় ঘটে চাঁদ তখন পশ্চিম দিগন্ত দিয়ে অস্ত যায়।

সহজ ভাষায় এটাই হলো পূর্ণিমা হবার কারণ। কিন্তু প্রশ্ন করা যায়, সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণের সময়ওতো চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই রেখায় থাকে। তাহলে প্রতিটা পূর্ণিমাতেই কেন চন্দ্রগ্রহণ হয় না?
এটা ঠিক যে, চন্দ্রগ্রহণ একমাত্র পূর্ণিমার সময়েই ঘটতে পারে। আবার সূর্যগ্রহণও হতে পারে যখন এই তিন বস্তু একই রেখায় থাকে। তখন অবশ্য তিনজনের মধ্যে মাঝখানে থাকতে হবে চাঁদকে।

প্রতি  পূর্ণিমাতেই চন্দ্রগ্রহণ না হবার কারণ হচ্ছে, পৃথিবী থেকে দেখতে দিগন্তের উপরে-নিচে হিসেব করলে আমরা চাঁদ ও সূর্যকে পৃথিবীর সাথে একই রেখায় দেখবো। কিন্তু চাঁদ ঐ সময়টিতে তথা পূর্ণিমার সময় একটু উত্তরে বা দক্ষিণে থাকতে পারে। এটাই ঘটে অধিকাংশ সময়।
কিন্তু যখনই উত্তর-দক্ষিণে না থেকে বরাবরে অবস্থান করে তখনই পূর্ণিমা পরিণত হয় চন্দ্রগ্রহণে।

অনেক সময় একই মাসে দুটি পূর্ণিমা ঘটে যেতে পারে। বিস্তারিত জানতে দেখুন এই পোস্ট।
Category: articles

জ্যোতির্বিজ্ঞান পরিভাষা: জেনে নিন কোন শব্দের কী মানে

এখানে সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ জ্যোতির্বিদ্যায় প্রয়োজনীয় পরিভাষাগুলোর তালিকা দেওয়া হলো। সাজানো হয়েছে অক্ষরের ক্রমানুসারে। এই তালিকা নিয়মিত আপডেট...