Advertisement

Saturday, July 16, 2016

শুক্রে গ্রহে বসবাস!

শুক্র গ্রহের সাথে আমাদের পৃথিবীর অনেক মিল রয়েছে সত্য। এর ভর, অভিকর্ষ, সাইজ- সবই পৃথিবীর কাছাকাছি। কিন্তু এতে বাস করার চিন্তা করা আদৌ ঠিক হবে না।
ছবিতে শুক্র গ্রহ 

এর প্রধান কারণ ৩টিঃ
১। এর পৃষ্ঠে তাপমাত্রা প্রায় ৪৫৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৮৫৪ ফারেনহাইট। এ তাপমাত্রায় টিন ও সিসার মতো বস্তুও গলে যায়।
২। এর পৃষ্ঠচাপ পৃথিবীর সমুদ্র লেভেলের চাপের ৯০ গুণ।
এই তীব্র তাপমাত্রায় একদিকে গলে যেতে হবে, আবার অন্য দিকে চাপের প্রভাবে হতে হবে ভর্তা। মহাকাশযান থেকে একবার নামলেই হল, আবার যানে ফিরতে ফিরতে চ্যাপ্টা না হয়ে উপায় নেই।
৩। এর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড আছে ৯৬ পারসেন্ট।
শুক্রের বায়ুমণ্ডল 

সায়েন্স ফিকশনপ্রেমীসহ কেউ কেউ কল্পনা করেন চেষ্টা করলে শুক্রকে বাসযোগ্য গ্রহে রূপান্তর করা সম্ভব। ধাপে ধাপে অনেকগুলো কৌশল অবলম্বন করে বসবাসের জন্য অযোগ্য কোন গ্রহকে বাসযোগ্য করে তোলার পদ্ধতিকে ইদানিং টেরাফর্মিং বলা হয়। কারো কারো মতে, শুক্র গহের বায়ুমণ্ডলে ব্যাকটেরিয়া ফেলে এর কার্বন ডাই অক্সাইড ও সালফিউরিক এসিডকে অক্সিজেন ও অন্যান্য উপকারী উপজাতে পরিণত করা যেতে পারে। কিন্তু এই চিন্তাটা খুব বেশি যৌক্তিক নয়।
তবে শুক্র গ্রহে বসবাস করতে না পারলেও পৃথিবীতে বসে রাতের আকাশে শুক্র গ্রহের সৌন্দর্য উপভোগ করতে কোনো মানা নেই। চাঁদের পরে রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু কিন্তু শুক্রই।

আরো পড়ুনঃ
শুকতারার পরিচয়
দিক নির্ণয়ে শুক্র গ্রহ
অদ্ভুত এক গ্রহ 

সূত্রঃ
১। http://www.astronomycafe.net/qadir/q1002.html
২। http://www.space.com/28357-how-to-live-on-venus.html


Advertisement 02

Abdullah Al Mahmud

লেখকের পরিচয়

আব্দুল্যাহ আদিল মাহমুদ। প্রভাষক, পরিসংখ্যান বিভাগ, পাবনা ক্যাডেট কলেজ। এর আগে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন EAL-এ। পড়াশোনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে। সম্পাদনা করছেন Stat Mania বিশ্ব ডট কম। পাশাপাশি লিখছেন বিজ্ঞানচিন্তা, ব্যাপন পাই জিরো টু ইনফিনিটিসহ বিভিন্ন ম্যাগাজিনে। অসীম সমীকরণ মহাবিশ্বের সীমানা নামে দুটি বই লেখার পাশাপাশি অনুবাদ করেছেন অ্যা ব্রিফার হিস্ট্রি অব টাইম । লেখকের এই সাইটের সব লেখা এখানে ফেসবুক | পারসোনাল ওয়েবসাইট